Main Menu
শিরোনাম
গোলাপগঞ্জে ১৬ দিন ধরে ব্যবসায়ী নিখোঁজ         জৈন্তাপুরে বিষপানে গৃহবধূর আত্মহত্যা         শ্রীমঙ্গলে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত         হবিগঞ্জে দু’পক্ষের সংঘর্ষে যুবক নিহত         জগন্নাথপুরে বিএনপি নেতা গ্রেফতার         জৈন্তাপুরে ট্রাকের ধাক্কায় অটোরিকশা চালক নিহত         অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতিতে সিলেটের মিটার রিডাররা         শ্রীমঙ্গলে সড়ক দুর্ঘটনায় বিএনপি নেতা নিহত         ফেঞ্চুগঞ্জে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা         ছাতকে বিএনপির ৬ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার         কানাইঘাটে মামুনের লাশ কবর থেকে উত্তোলন         নবীগঞ্জে ট্রাক-অটোরিরিকশা সংঘর্ষে শিক্ষক নিহত        

বিশ্বজুড়ে বিয়ের যত আজব রীতি

প্রকাশিত: ১২:০২:৪৮,অপরাহ্ন ১১ আগস্ট ২০১৮ | সংবাদটি ৬৬ বার পঠিত

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: পারিবারিক জীবন শুরু হয় বিয়ের মাধ্যমেই। আর এই বিয়ে নিয়ে প্রত্যেকে সমাজেই আছে নানা রকম ভিন্ন ভিন্ন প্রথা।একজনের কাছে যা মনে হতে পারে আজব, অন্যের কাছে হয়তো সেটাই সবচেয়ে জরুরি।

বিয়ে নিয়ে সেই আজব রীতিগুলো হচ্ছে:

১. বিয়ের কনের পরনে সাদা শাড়ি? আমরা ভাবতে পারিনা ঠিকই, কিন্তু ইংরেজদের বিয়ের গাউন হয় সাদা রঙেরই। তাদের কাছে সাদা কুমারিত্বের প্রতীক।

২. কোরিয়ায় বিয়ের রাতে নতুন বরের পুরুষত্ব জাগিয়ে তুলতে তার বন্ধুদের কাজ হলো- বরের পা বেঁধে, মাছের লেজ ও পাখনা দিয়ে পায়ের পাতায় আঘাত করা।

৩. কঙ্গোতে বিয়ের আসরে উপস্থিত থাকেন একজন কৌতুক অভিনেতা। তিনি নিমন্ত্রিতদের হাসাবেন, তারা হাসবেনও। কিন্তু বর-কনের হাসা মানা!

৪. সুইডেনে যখনই নববধূ বা বর বাথরুমে যাবার জন্যে তাদের টেবিল থেকে উঠে যায়, বসে থাকা তার সঙ্গীকে বিপরীত লিঙ্গের মেহমানরা এসে চুম্বন করার সুযোগ পায়। মানে নতুন বর যদি অন্যদের মাঝ থেকে উঠে বাথরুমে যায়, তবে তার নববধূকে অন্য লোকেরা এসে চুম্বন করে যাবে। আর নববধূ যদি তার বরকে রেখে যায়, তবে অন্য নারীরা এসে তাকে আদর করে রেখে যাবে। বোঝাই যাচ্ছে যে বর বাথরুমে যাবে, এমনটাই সবাই আশা করে।

৫. আয়ারল্যান্ডের নববধূ এবং বর যখন নাচবে তখন নববধূর খেয়াল রাখতে হয় যেন তার পা অবশ্যই মাটিতে থাকে। নইলে কিন্তু দুষ্ট পরীরা এসে ওকে উড়িয়ে নিয়ে যাবে। কেন এমন বিশ্বাস? কারণ পরীরা সুন্দর জিনিস ভালবাসে। আর নববধূ হল সবচেয়ে সুন্দর আর আকর্ষণীয়। কাজেই একবার যদি সুযোগ পায়, পরীরা কিন্তু ওকে নিয়ে যাবেই। তবে পা যদি মাটির স্পর্শে থাকে তাহলে আর দুষ্টগুলো ওকে নিতে পারবে না।

৬. চীনের তুইজা গোষ্ঠীর মেয়েরা বিয়ের ঠিক এক মাস আগে থেকে প্রতিদিন নিয়ম করে এক ঘণ্টা ধরে কাঁদে। বিয়ের যখন ২০ দিন বাকি তখন মা তার সঙ্গে এ প্রাকবিবাহ কান্নায় যোগ দেন। এরপর ২০ দিনের মাথায় এ আসরে যোগ দেন কন্যার নানি। শেষের দিনগুলোতে পরিবারের বাকি সব মেয়েও এতে যোগ দেয়। উদ্দেশ্য একটাই, বিয়ের আনন্দ প্রকাশ করা। আসলে তারা যা করেন তা হল নিচুস্বরে এক ধরনের গান, যা কান্নার মতোই শোনায়। এটাই তাদের ঐতিহ্য।






Related News

Comments are Closed