Main Menu
শিরোনাম
সম্মেলন সফলে বাউল কল্যাণ সমিতির সভা         দুই বছরেও উদ্ধার হওয়া লাশের পরিচয় মিলেনি         বিশ্বনাথে রুমি হত্যাকারীর ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধন         ওসমানীনগরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২০         কমলগঞ্জে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে তরুণীর মৃত্যু         বিয়ানীবাজারে অটোরিকশার ধাক্কায় বৃদ্ধের মৃত্যু         শাহ্ আরফিনে টাস্কফোর্সের অভিযানে পে-লোডার জব্দ         সিলেটে অগ্নিকান্ডে ৫টি দোকান ও ৩টি ঘর ভস্মিভূত         তামাবিল স্থল বন্দরে প্রশাসনিক ভবনের উদ্বোধন         সিকৃবিতে স্বয়ংক্রিয় কৃষি-আবহাওয়া স্টেশন স্থাপিত         ফেঞ্চুগঞ্জে ট্রেনে কাটা পড়ে যুবকের মৃত্যু         সুরমা নদীতে নিখোঁজ যুবকের লাশ উদ্ধার        

শাবিতে বিভাগীয় প্রধানের হাতে শিক্ষক লাঞ্ছনার অভিযোগ

প্রকাশিত: ১০:৩৭:৫০,অপরাহ্ন ২০ এপ্রিল ২০১৮ | সংবাদটি ৬৭ বার পঠিত

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) নিজ বিভাগের প্রধানের হাতে লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম। এ ঘটনায় উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বরাবর একটি অভিযোগপত্রও দাখিল করেছেন তিনি। ওই ঘটনার সময় বিভাগের অন্যান্য শিক্ষকদের মধ্যে এটিএম শহিদুল হক মজুমদার, মো. জাকারিয়া, ড. মো. সাইফুল আলম, ড. এম ফরহাদ হাওলাদার এবং সিফাত হোসাইন উপস্থিত ছিলেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।

অভিযোগপত্রে ড. মো. রফিকুল ইসলাম উল্লেখ করেন, গত ১৬ এপ্রিল বিভাগের জরুরি সভায় ১৩২ নম্বর ল্যাবরেটরি রুমের দায়িত্ব বন্টন নিয়ে বিভাগীয় প্রধানের সঙ্গে তাঁর কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে বিভাগীয় প্রধান তীব্র উত্তেজিত হয়ে “গেট আউট, গেট আউট” বলে তাঁর ডান হাতে প্রচণ্ডভাবে আঘাত করেন। এসময় উপস্থিত থাকা অন্যান্য সহকর্মীরা বিভাগীয় প্রধানকে থামিয়ে দিলে পরক্ষণেই আবার উত্তেজিত হয়ে তাঁকে আক্রমণ করতে তেড়ে আসেন তিনি। পরে অনেক ধস্তাধস্তি করে সহকর্মীরা আবারও বিভাগীয় প্রধানকে থামিয়ে দেন।
অভিযোগপত্রে ‘বিভাগীয় প্রধান’ কর্তৃক লাঞ্ছনার অভিযোগ করা হলেও কোনও ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেননি তিনি।

এ ব্যাপারে পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান ড. মো. শফিকুল ইসলাম জানান, “বিভাগের একটা সামান্য ঘটনাকে বাজেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিভাগের মিটিংয়ের এ বিষয়টি বাইরে বলার মতো এমন কিছু ঘটেনি। তবে এ বিষয়ে উপাচার্য মহোদয় অবগত আছেন।

অভিযুক্ত বিভাগীয় প্রধান ড. মো. রফিকুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, “বিভাগের একটা ল্যাব-রুমে গুরুত্বপূর্ণ প্রজেক্টের কাজ চলছে। আর সে রুমটার মূল্যবান জিনিসপত্র অভিযুক্ত শিক্ষক কুক্ষিগত করতে চাইছেন। তাতে বাধা দেওয়ায় এ ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছেন তিনি।”






Related News

Comments are Closed