Main Menu
শিরোনাম
সম্মেলন সফলে বাউল কল্যাণ সমিতির সভা         দুই বছরেও উদ্ধার হওয়া লাশের পরিচয় মিলেনি         বিশ্বনাথে রুমি হত্যাকারীর ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধন         ওসমানীনগরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২০         কমলগঞ্জে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে তরুণীর মৃত্যু         বিয়ানীবাজারে অটোরিকশার ধাক্কায় বৃদ্ধের মৃত্যু         শাহ্ আরফিনে টাস্কফোর্সের অভিযানে পে-লোডার জব্দ         সিলেটে অগ্নিকান্ডে ৫টি দোকান ও ৩টি ঘর ভস্মিভূত         তামাবিল স্থল বন্দরে প্রশাসনিক ভবনের উদ্বোধন         সিকৃবিতে স্বয়ংক্রিয় কৃষি-আবহাওয়া স্টেশন স্থাপিত         ফেঞ্চুগঞ্জে ট্রেনে কাটা পড়ে যুবকের মৃত্যু         সুরমা নদীতে নিখোঁজ যুবকের লাশ উদ্ধার        

কালাইয়ে ভেড়ার খামার করে স্বাবলম্বী মুক্তাদির

প্রকাশিত: ৪:০৬:৫৯,অপরাহ্ন ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ | সংবাদটি ৫১৭ বার পঠিত

মোঃ অালী হাসান, জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি: বছরে দুইবার বাচ্চা দেয়া গৃহপালিত পশু ভেড়ার খামার করে স্বাবলম্বী হয়েছেন কালাই পৌরসভার আবু হায়দার মো. মুক্তাদির সরদার। পৌরসভার থানাপাড়া মহল্লার মুক্তাদির দুই বছর যাবৎ ভেড়ার খামার করে প্রায় ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা লাভবান হন। তার অভাবের সংসার নুন আনতে পান্তা ফুরায়, সেই সংসারে এখন বিদ্যুৎ বাতির ঝলকানিতে ভরিয়ে উঠেছে তার সংসার।
জানা গেছে, কালাই পৌরসভার মৃত শফি উদ্দিন সরদারের ছেলে মুক্তাদির কুষ্টিয়া জেলায় বেড়াতে গিয়ে ওই এলাকায় একটি ভেড়ার খামার দেখতে পান। এ সময় কৌতুহলে
ভেড়ার খামারীর সাথে সুফল-কুফল বিষয়ে তার আলোচনা হয়। এরপর থেকেই তিনি ভেড়া পালনে আসক্ত হয়।
উপজেলা প্রাণি সম্পদ বিভাগের সহকারী চিকিৎসক ইউসুফ জানান, গৃহ পালিত পশু ভেড়ার মাংস সুসাদু এবং ভেড়ার মাংস শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। তিনি বলেন, ভেড়া পালন অত্যন্ত লাভজনক। কারন পূর্ণ বয়স্ক একটি ভেড়া বছরে দুইবারে দু’টি থেকে চারটি করে বাচ্ছা প্রসব করে। এতে গড় পূর্ণবয়স্ক একটি ভেড়া বছরে ৫ থেকে ৮টি বাচ্ছা দেয়। এ সব তথ্য জানার পর মুক্তাদির ভেড়ার খামার করতে মরিয়া হয়ে ওঠে। তিনি প্রথমে ৮টি ভেড়া কুষ্টিয়া থেকে ক্রয় করে এনে খামার শুরু করেন। পরে প্রতি মাসে একাধিক ভেড়া বাচ্ছা দিতে শুরু করলে লাভের আশায় তিনি খামারের পরিধি আরো বৃদ্ধি করেন। বর্তমান তার খামারে ৩৭টি ভেড়া রয়েছে। এখন প্রতি মাসে ভেড়া বিক্রি করা না হলে ওই খামারে ভেড়া রাখার জায়গাই হবে না।
কালাই পৌর শহরের ভেড়ার খামার মালিক আবু হায়দার মো. মুক্তাদির জানান, ভেড়া পালন অত্যন্ত লাভজনক হলেও তাদের পিছনে প্রচুর শ্রম দিতে হয়। কারণ ভেড়া আরাম প্রিয় পশু, যেখানে খায় সেখানে বর্জ্য ফেলে। প্রতি দিন দুই থেকে তিনবার বর্জ্য পরিষ্কার করতে হয়। ভেড়া পালনে উন্নত খাবার দেয়ার প্রয়োজন হয় না। তাদের অল্প কিছু কাঁচা ঘাষ লতা-পাতা দিতে পারলেই হয়। তাদের খাওয়াতে অরুচি বলে কিছু নেই। রাস্তার পাশে জমির ধারে অল্প কিছু সময় ছেড়ে দিলে তাদের অতিরিক্ত খাদ্যের প্রয়োজন পড়ে না। তিনি বলেন, এ মাসে ২১টি ভেড়া গর্ভধারণ করেছে। এ গর্ভধারণ করা ভেড়াগুলো ৪০ থেকে ৫০টির মত বাচ্ছা দিতে পারে। আশা করছি আগামী দুই এক মাসের মধ্যে ৮০ থেকে এক লাখ টাকা ভেড়া বিক্রি করা হবে। আমি এখন স্বাবলম্বী।






Comments are Closed